© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণের বিশেষ প্রযুক্তি  

শেয়ার করুন:
অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণের বিশেষ প্রযুক্তি   
it-desk
০৭:৪৪ পিএম | ৩০ নভেম্বর, ২০২০

সফটওয়ারটি ওয়েবক্যামের সাহায্যে পরীক্ষার্থীর পরিচয় নিশ্চিত করে, যাতে করে নির্দিষ্ট ব্যক্তির বদলে অন্য কেউ পরীক্ষায় বসতে না পারে। এছাড়াও এটি পরীক্ষার্থীর ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ন্ত্রণ করে যাতে করে পরীক্ষার্থী অন্য কোনও ওয়েবসাইট থেকে উত্তর যোগাড় করতে সক্ষম না হয়।

অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণের সুবিধার্থে বিশেষ একটি প্রযুক্তি বাজারে এনেছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘বেটার এক্সাম’। এই প্রযুক্তির ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একটি ল্যাপটপ, ওয়েবক্যাম ও ইন্টারনেট কানেকশনের ব্যবহারের করে দূরবর্তী স্থানে বসেও একই সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানটির সফটওয়ারে মেশিন লার্নিং (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়েছে, এর ফলে কোনও শিক্ষার্থী অসাধু উপায় অবলম্বন করতে চাইলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত হবে। পাশাপাশি এই সফটওয়ারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এমসিকিউ ও গণিত পরীক্ষার উত্তরপত্রও মূল্যায়ন করতে সক্ষম।

সফটওয়ারটি ওয়েবক্যামের সাহায্যে পরীক্ষার্থীর পরিচয় নিশ্চিত করে, যাতে করে নির্দিষ্ট ব্যক্তির বদলে অন্য কেউ পরীক্ষায় বসতে না পারে। এছাড়াও এটি পরীক্ষার্থীর ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ন্ত্রণ করে যাতে করে পরীক্ষার্থী অন্য কোনও ওয়েবসাইট থেকে উত্তর যোগাড় করতে সক্ষম না হয়।

বেটার এক্সামের প্রতিষ্ঠাতা পিয়েরো টিনটরি এ বিষয়ে বলেন, ‘এ পর্যন্ত আমাদের সাথে ৬০টি প্রতিষ্ঠান যোগাযোগ করেছে, তারা মে থেকে জুনের মধ্যে পরীক্ষা নিতে চায়। স্কুল, ইউনিভার্সিটি কিংবা পেশাগত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে রয়েছে।’

প্রতিষ্ঠানটির হেডকোয়ার্টার আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে অবস্থিত। তবে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং পোল্যান্ডে তাদের অফিস রয়েছে। সবকিছু যাতে অনলাইনে সঠিক ভাবে কাজ করে তাই এটি অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসের মাধ্যমে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

প্রসঙ্গত, মহামারির ফলে বিশ্বজুড়ে শিক্ষা ব্যবস্থা থমকে গেছে। অনলাইনে ক্লাস করা সম্ভব হলেও পরীক্ষা নেয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু বাঁধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলিকে। নতুন এই প্রযুক্তি সে বাধা অনেকটাই দূর করবে।

গবেষকগণ বলছেন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসতে চলেছে এবং নতুন এই প্রযুক্তিটি সেক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি

 

টাইমস/এনজে/এসএন

মন্তব্য করুন